August 9, 2026, 7:34 am
পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় হত্যার হুমকি দিল মানবাধিকার নেতাকে। জায়গার জবর দখল ঠেকাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র (আশক) ফাউন্ডেশনের কক্সবাজার জেলার সাবেক সভাপতি ও উপজেলার সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা চৈরভাঙ্গা গ্রামের মৃত মোজাহেরুল হকের ছেলে শহিদুল ইসলাম একটি এমআর মামলা রুজু করে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি বিচারাধীন। এ দিকে আদালতে মামলা রুজুর এ খবর ছড়িয়ে পড়ে। এর সুত্র ধরে মামলার দ্বিতীয় পক্ষগণ চরম ক্ষেপে যান। এক পর্যায়ে এমআর মামলা প্রত্যাহার করতে বাদীকে চাপ প্রয়োগ করে। এ দিকে ১৬ শতক জমি নিয়ে মানবাধিকার সংগঠক শহিদুল ইসলাম প্রকাশ ক্যাপ শহীদ ও মেহেরনামায় কামাল হোসেনের পুত্র আবদুল হামিদ গংদের বিরোধ চরম আকার ধারণ করেছে। জায়গার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে কামাল হোসেনের পুত্র আবদুল হামিদ, মৃত মোশারফ আলীর পুত্র হাসান আলী, কাসিম আলীর পুত্র নুর কালাম, আজগর আলীর পুত্র নাছির উদ্দিন গং ও শহিদুল ইসলামের এর মধ্যে বিরোধ প্রকট আকার ধারণ করেছে। জায়গাটি সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থিতি হওয়ায় এ নিয়ে লোলুপ দৃষ্টিও বেড়ে গেছে। জবর দখলে নিতে আবদুল হামিদ গং ভাড়াটে লোকজন জড়ো করেছে। লাঠিসোটা নিয়ে তারা একাধিকবার জায়গা জবর দখল পায়তারা করে। স্থানীয়রা ভাড়াটেদের জবর দখল প্রক্রিয়া একাধিকবার নস্যাৎ করে। ২০১৫ সালে ১৬ শতক জমি মানবিধকার কক্সবাজার জেলার নেতা শহিদুল ইসলাম খরিদ করেন। জমির জমাভাগ সৃজিত হয়েছে। ওই সময় থেকে তিনি এ জমি ভোগ করছিলেন। কিন্তু অপরপক্ষ আবদুল হামিদ গং প্রতারনার আশ্রয় নিয়েছেন। তারা জায়গাটি মাথাখিলা ও খাস জমি দাবী করে ভূয়া একটি চুক্তিনামা সৃজন করে। নন জুড়িসিয়াল স্ট্যাম্পমূলে সৃজিত চুক্তিনামার স্বাক্ষরও জালিয়তিতে হয়েছে। এ দিকে জায়গার স্থিতিবস্থাসহ এর জবর দখল রুখতে আসক ফাউন্ডেশনের কক্সবাজার জেলার সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম আদালতে স্মরণাপন্ন হয়েছেন। ১৪৪ ধারা বলবৎ রাখতে বাদী নালিশি অভিযোগ পৌছান। আদালত সেটি আমলে নিয়েছেন। বাদীর আর্জির প্রেক্ষিতে স্থিতিবস্থা ও শান্তি শৃংখলা বজায় রাখতে ওসি পেকুয়াকে আদেশ দেন আদালত। বাদী শহিদুল ইসলাম জানান, আমি একজন মানবাধিকার সংগঠক। সমাজের অসংগতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কাজ করা হচ্ছে মানবাধিকার সংগঠন গুলোর কাজ। আমার সংগঠনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে হে বিশ্ববাসী সুন্দর পৃথিবীতে শান্তিতে বাঁচতে দাও। আজকে আমার উপর অবিচার হচ্ছে। সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্গিত হচ্ছে আমার। আমাকে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। রাস্তায় বের হতে পারছিনা। অভিযোগ দেয়ার পর তারা আরও বেপরোয়া হয়েছে। আমরা কিভাবে মানবাধিকার রক্ষার জন্য কাজ করি। যেখানে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শংকিত। আমিতো অসহায় হয়ে গেছি। এরা পেশী শক্তি ধনবান ও প্রভাবশালী। তা ছাড়া সরকার পতন ও নাশকতায়ও এরা লিপ্ত থাকে। নাশকতা মামলাও আছে এদের বিরুদ্ধে। কিছু ধান্ধাবাজ এদের সাথে ঐক্যমত হয়েছে। সবাই মিলে আমাকে হয়রানি করছে। আমি প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা ও জানমালের নিরাপত্তা জোরদার করার আবেদন করছি।
.